36th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 36th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়‘বন্ধন’ শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস হলো ‘বন্ + ধন্’, কারণ উচ্চারণের একক বা ঝোঁক অনুযায়ী শব্দটিকে এভাবে ভাঙা যায়। মনে রাখবেন, অক্ষর (Syllable) হলো উচ্চারণের মূল একক, আর বর্ণ (Letter) হলো ধ্বনির লিখিত রূপ—বিসিএস পরীক্ষায় এই সূক্ষ্ম পার্থক্য থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
বাংলা বর্ণমালায় মোট অর্ধমাত্রার বর্ণ রয়েছে ৮টি (যেমন: ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ, খ, থ, ধ, প, শ ইত্যাদি মিলিয়ে)। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে; তাই মনে রাখবেন পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি।
‘বিজ্ঞান’ শব্দটিতে থাকা যুক্তবর্ণটি হলো জ্ + ঞ। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণের সঠিক ভাঙা রূপ জানতে চাওয়া হয়, যার সঠিক বিশ্লেষণ হলো বর্গীয় জ ও ইঞ (জ্ + ঞ)। একইভাবে ‘জ্ঞান’ বা ‘সংজ্ঞা’ শব্দেও এই যুক্তরূপটি ব্যবহৃত হয়।
‘শুভেচ্ছা’ শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি, এটি মূলত সন্ধিসাধিত শব্দ (শুভ + ইচ্ছা)। অন্যদিকে সভাসদ, ফলবান এবং তন্বী শব্দগুলো যথাক্রমে প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যা বিসিএস ব্যাকরণ অংশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
‘অনমনীয়’ শব্দটি নঞ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য ‘নেই নমন যার’। যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদে না-সূচক (নঞ) অব্যয় যুক্ত হয়ে পদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তাকে নঞ বহুব্রীহি বলে।
‘গাম্ভীর্য’ একটি বিশেষ্য পদ, যার বিশেষণ রূপ হলো ‘গম্ভীর’। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ যুগলের বিশেষ্য ও বিশেষণ রূপ পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের রূপভেদের এই চর্চাটি অত্যন্ত জরুরি।
ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ‘র’ বা ‘ষ’-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়, যে কারণে ‘প্রবণ’ শব্দটিতে ণ-ত্ব বিধি কার্যকর হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় তৎসম শব্দে সঠিক বানান ও ণ-ত্ব বিধানের নিয়মের প্রয়োগ প্রায়ই যাচাই করা হয়।
অস্তিবাচক বাক্যকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল অর্থের পরিবর্তন না করে বিপরীত শব্দ এবং না-সূচক শব্দ ব্যবহার করতে হয়। যেমন—‘সবাই অপছন্দ করে’ এর বিপরীত হলো ‘কেউ পছন্দ করে না’, যা মূল অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে সঠিক নেতিবাচক রূপ দেয়।
আইনি ও প্রশাসনিক পরিভাষায় ‘Null and Void’ এর সঠিক বাংলা অর্থ হলো ‘বাতিল’। বিসিএস ইংরেজি ও বাংলা উভয় অংশেই এমন স্ট্যান্ডার্ড লিগ্যাল টার্মিনোলজি বা পরিভাষা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
‘হেড মৌলভী’ একটি মিশ্র শব্দ, যার ‘হেড’ অংশটি ইংরেজি এবং ‘মৌলভী’ অংশটি ফার্সি ভাষা থেকে এসেছে। বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত মিশ্র শব্দ যেমন—ডাক্তারখানা, পকেটমার বা হেডমাস্টার চেনার প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, হ্রস্ব বা দীর্ঘ স্বরধ্বনি (ই বা ঈ) এর পরে হ্রস্ব বা দীর্ঘ স্বরধ্বনি (ই বা ঈ) থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ‘ঈ’-কার হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। সেই নিয়মেই 'রবি + ইন্দ্র' মিলে 'রবীন্দ্র' শব্দটি গঠিত হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই দীর্ঘ স্বরসন্ধির নিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ই-কার ও উ-কারের সূত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
যে পদ দিয়ে কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, তাকে বিশেষণ পদ বলে। এখানে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' বিশেষ্যটির পরিচিতি বা অবস্থা প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি বিশেষণ পদ। বিসিএস ব্যাকরণ অংশে পদ নির্ণয়ের সময় বাক্যটির অর্থ ও পদের কার্যকারিতা গভীরভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
'প্রকর্ষ' শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো 'উৎকর্ষ', যার অর্থ শ্রেষ্ঠত্ব বা উন্নতি। শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার সময় প্রতিশব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো খেয়াল রাখা বিসিএস বাংলা প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত ফলদায়ক।
'বালুচর' কাব্যগ্রন্থটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নয়, বরং এটি পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত রচনা। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও রচনার নাম মিলিয়ে গোলমাল পাকানোর সম্ভাবনা থাকে, তাই কবিদের গ্রন্থতালিকা আলাদা করে ছক বানিয়ে পড়া উচিত।
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির সফল প্রবর্তক ও বিখ্যাত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে ১৯১৪ সালে 'সবুজপত্র' পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল 'বীরবল' এবং তিনি বাংলা সনেটেরও প্রবর্তক; এই তথ্যগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বিশিষ্ট নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। বিসিএস সাহিত্য অংশে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও কবিতার রচিয়তা মনে রাখা বাধ্যতামূলক, বিশেষ করে সৈয়দ শামসুল হক ও আলাউদ্দিন আল আজাদের অবদান।
'বেদের মেয়ে' হলো আমাদের পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের একটি অন্যতম বিখ্যাত নাটক। জসীমউদ্দীনের নাটক ও লোকসাহিত্য নিয়ে বিভিন্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর মৌলিক রচনাগুলোর তালিকা ভালোভাবে পড়ে রাখুন।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক শ্রীচৈতন্যদেবের প্রভাব ছিল অপরিসীম, যাকে কেন্দ্র করে পুরো বৈষ্ণব সাহিত্য গড়ে উঠেছিল। তিনি নিজে কোনো গ্রন্থ রচনা না করলেও তাঁর জীবনাদর্শ ও ধর্মপ্রচার মধ্যযুগের সাহিত্যধারাকে চিরতরে বদলে দিয়েছিল, যা বিসিএস পরীক্ষার ইতিহাসে বহুবার এসেছে।
'মুখরা রমণী বশীকরণ' হলো মুনীর চৌধুরী কর্তৃক উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক 'The Taming of The Shrew' এর অনূদিত রূপ। বিসিএস প্রস্তুতিতে মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটক এবং মৌলিক নাটক যেমন 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ও 'কবর' অত্যন্ত আস্থার সাথে পড়তে হবে।
জীবনানন্দ দাশ রচিত 'কবিতার কথা' কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি তাঁর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও মননশীল প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা 'সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি' বিখ্যাত উক্তি দিয়ে শুরু হয়েছে। অপরদিকে 'দিবারাত্রির কাব্য', 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' ও 'পথের পাঁচালী' বাংলা সাহিত্যের ক্লাসিক ও জনপ্রিয় উপন্যাস।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন