12th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 12th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়সাদা রঙ হলো আলোর একটি উৎকৃষ্ট প্রতিফলক এবং এটি অন্যান্য রঙের তুলনায় তাপ কম শোষণ করে বরং চারিপাশে বিকিরণ করে দেয়। তীব্র রোদে ট্রাফিক পুলিশদের গরম থেকে সুরক্ষা দিতে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে সাদা জামা ও ছাতা ব্যবহার করা হয়। পদার্থবিজ্ঞানের দৈনন্দিন প্রয়োগভিত্তিক প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার সময় আলোর প্রতিফলন ও শোষণ নীতি মাথায় রাখতে হবে।
ফটোকপি বা জেরক্স মেশিনের মূল কার্যপদ্ধতি পোলারয়েড ফটোগ্রাফি এবং স্থির তড়িৎ প্রযুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। পোলারয়েড ফিল্টারের মাধ্যমে আলোর সমবর্তন ঘটিয়ে ডকুমেন্টের নিখুঁত প্রতিলিপি তৈরি করা হয়। বিজ্ঞানের এই ব্যবহারিক প্রয়োগগুলো সাধারণ বিজ্ঞান অংশের জন্য খুবই উপযোগী।
আর্কিমিসের সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তুর ঘনত্ব এবং তরলের ঘনত্ব যদি একদম সমান হয়, তবে বস্তুর ওপর ক্রিয়াশীল ওজন ও প্লবতা পরস্পর সমান থাকে। এই কারণে বস্তুটি তরলে ডুবেও যায় না আবার ভেসেও থাকে না, বরং তরলের ভেতরে যেকোনো গভীরতায় স্থিরভাবে অবস্থান করে। আর্কিমিডিসের প্লবতার এই মৌলিক নীতিটি পদার্থবিজ্ঞানের বিসিএস প্রশ্নের জন্য কমন একটি টপিক।
মেঘের গতিশীলতার কারণে মেঘের অণুগুলোতে প্রচুর পরিমাণ জলকণা ও বরফ কণা ঘর্ষণের মাধ্যমে তড়িৎ বা ইলেকট্রনিক চার্জ সঞ্চিত করে। যখন বিপরীতধর্মী চার্জযুক্ত দুটি মেঘ একে অপরের কাছাকাছি আসে, তখন বিপুল পরিমাণ তড়িৎক্ষরণের ফলে তীব্র আলো ও শব্দের সৃষ্টি হয় যা আমরা বিজলি হিসেবে দেখি। প্রাকৃতিক এই বৈদ্যুতিক ঘটনা দৈনন্দিন বিজ্ঞানের একটি চমৎকার উদাহরণ।
মানুষের কান সাধারণত ২০ থেকে ২০,০০০ হার্জ পর্যন্ত শব্দ শুনতে সক্ষম হলেও শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক হলো ডেসিবেল (dB)। স্বাভাবিক সহনশীলতার মাত্রা ছাড়িয়ে যখন শব্দের তীব্রতা ১০৫ ডেসিবেল বা তার বেশি হয়, তখন তা আমাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয় ও মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতিসাধন করতে পারে। পরিবেশগত দূষণ ও শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্নে এই মানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আলো যখন ভিন্ন ঘনত্বের মাধ্যম যেমন হালকা মাধ্যম (বায়ু) থেকে ঘন মাধ্যম (পানি)-এ প্রবেশ করে, তখন তার গতিবেগের পরিবর্তনের কারণে দিক পরিবর্তিত হয়। আলোর গতির এই দিক পরিবর্তনকে প্রতিসরণ বলে, যার কারণে পানির নিচে রাখা নৌকার বৈঠা বা সোজাঠি বাঁকা মনে হয়। আলোর প্রতিসরণের বাস্তব প্রয়োগগুলো বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞান অংশে বারবার আসে।
রান্নার কাজে ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম একটি উৎকৃষ্ট তাপ সুপরিবাহী ধাতু হওয়ায় এর ভেতর দিয়ে খুব দ্রুত তাপ সঞ্চালিত হতে পারে। এর ফলে পাত্রের যেকোনো এক প্রান্তে তাপ প্রয়োগ করা মাত্রই তা পুরো পাত্রে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়। উপযোগিতা ও তাপীয় পরিবাহিতার চমৎকার এই বৈশিষ্ট্যটি প্রাত্যহিক জীবনের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশ্নের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, সিএফসি এবং মিথেনের মতো গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলোর আধিক্যের কারণে সূর্যের তাপ আটকে যায় এবং পৃথিবীর সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। একেই মূলত গ্রিনহাউজ ইফেক্ট বলা হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে পরিবেশ দূষণ ও বৈশ্বিক উষ্ণতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই এই গ্যাসগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখবেন।
রিমোট সেন্সিং হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো বস্তুর সরাসরি সংস্পর্শে না এসেই কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডল বা কোনো এলাকার নিখুঁত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করা হয়। আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং ভৌগোলিক গবেষণায় এর ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপক। বিসিএস ভূগোলের জন্য এটি একটি কমন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
পালতোলা নৌকা বাতাসের গতির বিপরীতেও চলতে পারে কারণ নৌকার হাল এমনভাবে ঘুরিয়ে বাতাসের বেগের লব্ধি বা বলের উপাংশটিকে সম্মুখ অভিমুখে কার্যকর রাখা হয়। পদার্থবিজ্ঞানের ভেক্টরের উপাংশ বিভাজনের বাস্তব প্রয়োগ এটি। বিসিএসে এ ধরনের ফলিত বিজ্ঞান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
সাধারণ স্টোরেজ বা কার ব্যাটারিতে ইলেকট্রোড হিসেবে সিসার সাথে তরল হিসেবে সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করা হয়। শিল্পক্ষেত্রে ব্যাপক ব্যবহারের কারণে সালফিউরিক এসিডকে 'রাসায়নিক পদার্থের রাজা' বলা হয়। বিসিএস পরীক্ষায় এসিড সম্পর্কিত বিভিন্ন ব্যবহার প্রায়ই আসে, তাই রাজঅম্ল ও সালফিউরিক এসিডের তফাৎটা মাথায় রাখবেন।
ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস পেছনের দিকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বেলুনটি সামনের দিকে ছুটে চলে, যা নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের (প্রতিটি ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে) নিখুঁত উদাহরণ। রকেট ইঞ্জিনও ঠিক একই নীতি বা ধাক্কা প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়। বিসিএসের জন্য নিউটনের সূত্রগুলোর বাস্তব প্রয়োগগুলো খুব ভালো করে আয়ত্ত করবেন।
নিউক্লিও ফিউশন প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা পরমাণুর নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে। সূর্যের শক্তির মূল উৎস হলো এই ফিউশন প্রক্রিয়া। এর বিপরীত প্রক্রিয়াটি হলো ফিশন, যেখানে ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে টুকরো হয়।
পূর্ণিমা ও অমাবস্যার তিথিতে যখন সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরল রেখায় অবস্থান করে, তখন তাদের মিলিত আকর্ষণে পৃথিবীতে প্রবল জোয়ার বা তেজ কটাল সৃষ্টি হয়। একে অ্যাপেডাল বা সিজিজি অবস্থাও বলা হয়। বিসিএস ভূগোল প্রস্তুতিতে জোয়ার-ভাটার এই কারণটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বায়ু হলো বিভিন্ন গ্যাসের একটি মিশ্র পদার্থ, কারণ এতে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প এবং বিভিন্ন নিষ্ক্রিয় গ্যাস নিজ নিজ রাসায়নিক ধর্ম বজায় রেখে একত্রে অবস্থান করে। মিশ্রণ ও যৌগের মৌলিক পার্থক্য বুঝতে এই উদাহরণটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বিশিষ্ট কাল্পনিক রেখাটিই হলো কর্কট ক্রান্তি রেখা, যা বাংলাদেশের ঠিক প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের জলবায়ুতে এই রেখার প্রভাব অপরিসীম। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি ও অক্ষাংশ সংক্রান্ত প্রশ্নে এটি প্রায়ই দেখা যায়।
যে বায়ুপ্রবাহ সারা বছর ধরে পৃথিবীর উচ্চচাপ বলয় থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলা হয় (যেমন- আয়নবায়ু ও পশ্চিমা বায়ু)। পৃথিবীর আবর্তন ও বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে এই বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি হয়। বিসিএস আবহাওয়া ও জলবায়ু অধ্যায়ের জন্য এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক প্রশ্ন।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন