40th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 40th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়কার্বোহাইড্রেটের সাধারণ সংকেত হলো \(\mathrm{(CH_2O)_n}\), যেখানে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন যথাক্রমে ১:২:১ অনুপাতে বিদ্যমান। এটি জীবদেহের প্রধান শক্তি সরবরাহকারী উপাদান এবং বিসিএস বিজ্ঞানে প্রায়ই রাসায়নিক অনুপাত থেকে প্রশ্ন করা হয়।
রেকটিফায়ার হলো এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা দিক পরিবর্তনকারী প্রবাহ বা অল্টারনেটিং কারেন্টকে (AC) একমুখী প্রবাহ বা ডিরেক্ট কারেন্টে (DC) রূপান্তর করে। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বিভিন্ন যন্ত্রের রূপান্তর কার্যকারিতা সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়মিত দেখা যায়।
লাউড স্পিকার হলো এমন একটি যন্ত্র যা বৈদ্যুতিক শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। অন্যদিকে, মাইক্রোফোন ঠিক এর উল্টো কাজটি অর্থাৎ শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত করে—বিসিএস পরীক্ষার জন্য এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবেন।
বাতাসের আর্দ্রতা পরিমাপের জন্য হাইগ্রোমিটার ব্যবহার করা হয়, যেখানে ব্যারোমিটার বায়ুমণ্ডলের চাপ এবং হাইড্রোমিটার তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপে। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রের নাম ও ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন কমন থাকে।
সাগরের পানিতে প্রচুর লবণ দ্রবীভূত থাকায় এর ঘনত্ব সাধারণ পুকুর বা নদীর পানির চেয়ে বেশি হয়, ফলে সাঁতার কাটা অনেক সহজ হয়। প্লবতা ও ঘনত্বের এই চমৎকার বাস্তব প্রয়োগটি বিসিএস সাধারণ বিজ্ঞান অংশের জন্য খুবই উপযোগী।
ডিমে ভিটামিন-সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড সম্পূর্ণ অনুপস্থিত থাকে। ডিমে ভিটামিন এ, বি, ডি ও ই প্রচুর পরিমাণে থাকলেও ভিটামিন-সি পাওয়ার জন্য আমাদের লেবু, আমলকী বা টমেটোর মতো টক জাতীয় ও তাজা শাকসবজির ওপর নির্ভর করতে হয়।
উদ্ভিদের প্লাস্টিডের মধ্যে 'ক্রোমোপ্লাস্ট' হলো সবুজ বর্ণহীন রঙ্গিন প্লাস্টিড, যা ফুলের পাপড়ি ও পাকা ফলকে আকর্ষণীয় করে তোলে। এর মূল কাজ হলো পরাগায়নে কীটপতঙ্গকে আকৃষ্ট করা, যা বিসিএস প্রিলির জন্য একটি অত্যন্ত কমন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সোডিয়াম এসিটেটের সঠিক রাসায়নিক সংকেত হলো CH3COONa, যাকে সোডিয়াম ইথানয়েটও বলা হয়। এটি মূলত ইথানয়িক এসিড ও সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের প্রশমন বিক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন একটি পরিচিত লবণ।
ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা রশ্মির মূল উৎস হলো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ, যেমন—কোবাল্ট-৬০। একই মৌলের ভিন্ন ভর সংখ্যা বিশিষ্ট পরমাণুগুলোকে আইসোটোপ বলা হয়, যা চিকিৎসাবিজ্ঞান ও কৃষিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রიয়ায় নিজের খাদ্য নিজে তৈরির জন্য বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। বিসিএস পরীক্ষায় বিজ্ঞান অংশের জন্য উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুতি ও গ্যাসীয় আদান-প্রদান সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
বিশুদ্ধ বানানটি হলো 'অধোগতি', যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে (অধঃ + গতি = অধোগতি) গঠিত হয়েছে। বিসর্গ সন্ধিতে অ-কারের পর বিসর্গ এবং পরবর্তী বর্ণে বর্গের তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ণ থাকলে বিসর্গ ও পূর্ববর্তী অ মিলে 'ও' কার হয়, যেমন—মনোজ্যেষ্ঠ বা বয়োজ্যেষ্ঠ।
এখানে সঠিক ইংরেজি বানানটি হলো 'Indwelling', যার অর্থ 'ভিতরে বাসকারী' বা অন্তর্বাসকারী। বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে প্রিফিক্স ও সাফিক্সের সঠিক ব্যবহার এবং ইংরেজি বানানের সাধারণ নিয়মগুলো বারবার চর্চা করা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপকারী।
ব্যঞ্জনবর্ণমালায় 'ম' এর অবস্থান ২৫তম এবং এর পূর্ববর্তী পঞ্চম অক্ষরটি বের করতে পেছনের দিকে হিসাব করলে 'ন' পাওয়া যায়। বাংলা বর্ণমালার ক্রম ও অবস্থান সংক্রান্ত মানসিক দক্ষতার প্রশ্নগুলো দ্রুত ও নির্ভুল উত্তর করতে বর্ণমালা মুখে মুখে চর্চা করা উচিত।
এখানে প্রতিটি ইংরেজি বর্ণকে তার বিপরীত বর্ণ দিয়ে কোড করা হয়েছে (যেমন A এর বিপরীত Z, B এর বিপরীত Y)। এই নিয়মে G, I, V, V এর বিপরীত বর্ণগুলো বসালে যথাক্রমে T, R, E, E অর্থাৎ 'TREE' শব্দটি পাওয়া যায়।
আয়নায় কোনো শব্দের প্রতিবিম্ব দেখতে হলে শব্দটির ডান পাশ বামে এবং বাম পাশ ডানে উল্টে যায় (পার্শ্বীয় পরিবর্তন)। 'UNICEF' শব্দটির ক্ষেত্রে আয়নাতে এর প্রতিটি অক্ষর উল্টো দিক থেকে ও উল্টো আকারে প্রতিবিম্বিত হবে।
বলবিদ্যা অনুযায়ী, রোলারকে ঠেলার চেয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া অনেক সহজ। কারণ রোলারকে টানলে বলের উলম্ব উপাংশটি ওজন কমিয়ে দেয়, ফলে ঘর্ষণ বল হ্রাস পায় এবং সহজে চালানো যায়।
দশমিকের গুণ করার সময় প্রথমে স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর গুণফল বের করে, মোট যত ঘর পরে দশমিক আছে তা হিসাব করতে হয়। এখানে ০.১ × ০.০১ × ০.০০১ = ১ ÷ ১,০০০,০০০ = ০.০০০০০১, যা খুব সহজেই ভগ্নাংশে রূপান্তর করে সমাধান করা যায়।
বর্ণমালার ক্রমিক নম্বর গুণ করে এই কোডিং সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। 'চ' হলো বাংলা বর্ণমালার ৬ষ্ঠ এবং 'G' হলো ইংরেজি বর্ণমালার ৭ম বর্ণ (৬ × ৭ = ৪২); একইভাবে J (১০) এবং ট (১১) গুণ করলে ১০ × ১১ = ১১০ হয়।
চিত্রের ঘূর্ণন এবং প্রতীকের পারস্পরিক বিপরীত বিন্যাস বিশ্লেষণ করে এই সমাধান করা হয়েছে। প্রথম চিত্রে দুটি তীর বিপরীতমুখী থাকলেও পরবর্তী চিত্রগুলোতে ধারাবাহিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, যা শেষ চিত্রে ছোট বৃত্তের বিপরীত অবস্থান নিশ্চিত করে।
এই প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট কোনো উপাত্ত বা তথ্য না থাকায় সাধারণ বুদ্ধিমত্তা ও বর্ণনামূলক যুক্তির ভিত্তিতে এর সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা হয়েছে। বিসিএসের মানসিক দক্ষতা অংশে এ ধরনের চিত্র ও পাজল নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন