40th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 40th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়লগারিদমের ভিত্তি বা বেস (base) সব সময় ধনাত্মক হতে হবে এবং তা কখনো ১ হতে পারবে না; অর্থাৎ a > 0 এবং a ≠ 1 হলে তবেই কেবল log_a(1) = 0 সূত্রটি সংজ্ঞায়িত হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে লগারিদমের এই মৌলিক শর্তগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বেস ও মানের শর্তগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত রাখুন।
চিত্রে \( riangle PQR\) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ। যেহেতু \(PQ = PR\), তাই সমান বাহুর বিপরীত কোণদ্বয় পরস্পর সমান, অর্থাৎ \(\angle PQR = \angle PRQ = 55^\circ\)। আবার, \(RN \perp QL\) বা \(\angle LRN = \angle NRQ = 90^\circ\)। সুতরাং, \(\angle NRP = 90^\circ - \angle PRQ = 90^\circ - 55^\circ = 35^\circ\)।
প্রথমে P সেটটি বের করতে হবে যা ১২ এর গুণনীয়কগুলো নিয়ে গঠিত {1, 2, 3, 4, 6, 12} এবং Q সেটটি হলো ৩ এর গুণিতক যা ১২ এর সমান বা ছোট {3, 6, 9, 12}। সেট দুটির বিয়োগ বা P - Q করলে কমন উপাদানগুলো বাদ গিয়ে অবশিষ্ট থাকে {1, 2, 4}। সেট তত্ত্বের এই বিয়োগের নিয়মটি বিসিএস গাণিতিক যুক্তিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অনুক্রমটির সাধারণ পদের সূত্রে n = 4 বসালে cos(4π/2) বা cos(2π) তথা cos(360°) পাওয়া যায়, যার মান হলো ১। ত্রিকোণমিতিক অনুপাতের মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে π = 180° ধরে হিসাব করলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর বের করা সম্ভব।
৬ জন খেলোয়াড়কে সমান দুটি দলে (প্রতি দলে ৩ জন করে) বিভক্ত করার জন্য প্রথমে 6C3 দিয়ে দল গঠন করতে হবে এবং দল দুটি পরস্পর সমান হওয়ায় ২! দিয়ে ভাগ করতে হবে, যার ফলাফল দাঁড়ায় ২০। দল গঠনের ক্ষেত্রে বিন্যাস ও সমাবেশের এই ভাগ করার নিয়মটি (সমান দলের ক্ষেত্রে) খুব ভালোভাবে মনে রাখবেন।
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ১৪৯৩ সালে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ১৪৯৮ সালে কামতা রাজ্য দখলের মাধ্যমে বৃহত্তর বাংলায় তার শাসন সুদৃঢ় করেন, যা ১৫১৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। মধ্যযুগের বাংলা সুলতানি আমলের শ্রেষ্ঠ শাসক হিসেবে তার শাসনামলকে বাংলার স্বর্ণযুগের সূচনা বলা হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই হোসেন শাহী বংশের সময়কাল ভালোভাবে মনে রাখুন।
খ্রিস্টপূর্ব ৩২১ অব্দে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য নন্দ বংশের পতন ঘটিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তার উত্তরসূরি সম্রাট অশোকের সময় এই সাম্রাজ্য আরও বিস্তার লাভ করে। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস ও শাসন আমল থেকে প্রায়ই এই ধরনের মৌলিক প্রশ্ন বিসিএসে দেখা যায়।
১৫১৬ সালে প্রথম ইউরোপীয় বণিক হিসেবে পর্তুগিজরা বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে। বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমনের সঠিক ক্রমটি মনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ: পর্তুগিজ (১৫১৬) -> ইংরেজ (১৬০০) -> ওলন্দাজ (১৬৩০) -> ফরাসি (১৬৭৪) -> ডেনিশ (১৬৭৬)।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে সোচ্চার হয়ে নিরাপত্তা পরিষদে তিনবার 'ভেটো' প্রয়োগ করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও মুক্তিযুদ্ধের কূটনৈতিক ইতিহাস অংশের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি আমাদের সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে যুক্ত করা হয়েছে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংবিধানের তফসিল সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি উভয় পরীক্ষার জন্যই সমানভাবে জরুরি।
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার অজুহাতে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন। পরবর্তীতে তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়। বিসিএসের জন্য লর্ড কার্জন (বঙ্গভঙ্গ) এবং লর্ড মাউন্টব্যাটেন (১৯৪৭ সালের দেশভাগ)—এই দুটি নাম ও সাল অত্যন্ত ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
বাংলাদেশের মধুপুর ও ভাওয়ালগড়ের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত, যা মূলত শাল বা গজারি বৃক্ষের জন্য বিখ্যাত। এই অঞ্চলের মাটি লালচে প্রকৃতির হওয়ায় একে 'মধুপুর লাল মাটি অঞ্চল' বা 'ভাওয়াল গড়' বলা হয়। ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে বাংলাদেশ অংশের প্রশ্নের জন্য এটি প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মধ্যে ফরিদপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয়। পাটকে আমাদের 'সোনালী আঁশ' বলা হয় এবং এর ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবেও স্বীকৃতি রয়েছে। অর্থনৈতিক ভূগোল অংশ থেকে এই ধরনের জেলাভিত্তিক উৎপাদনের তথ্য বিসিএসে প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুযায়ী দেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও ভূগোলের সঠিক ডেটাভিত্তিক প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য এই সংখ্যাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএসের লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে।
গারো উপজাতির মূল বসতি ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ি অঞ্চল ছাড়াও শেরপুর, নেত্রকোনা ও সিলেট অঞ্চলে বিস্তৃত। এদের নিজস্ব মাতৃপ্রধান সমাজব্যবস্থা রয়েছে, যার নাম 'মাছড়া' বা মাতৃতান্ত্রিক পরিবার। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও ভৌগোলিক অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস প্রিলিমিনারিতে নিয়মিত আসে।
২০১৮ সালের অর্থনৈতিক উপাত্ত অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু নামমাত্র জিডিপি ছিল ১,৭৫১ মার্কিন ডলার। তবে সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধি পেয়ে ২৬৭১ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্বের অর্থনৈতিক সূচকগুলোর সাম্প্রতিক ডেটা নিয়মিত আপডেট রাখা জরুরি।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে আদমশুমারি পরিচালিত হয়। সর্বশেষ ২০২২ সালে দেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা সম্পন্ন হয়েছে। বিসিএস ভাইভা ও প্রিলিমিনারির জন্য শুমারি সংক্রান্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাম্প্রতিক তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) প্রকাশিত ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স বা আইডিআই (IDI) অনুযায়ী উদীয়মান অর্থনীতিতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিল, যেখানে নেপাল প্রথম স্থানে ছিল। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার এমন সূচকভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে আসে।
২০১৮ সালের বাণিজ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী সে সময় বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় ছিল ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৈদেশিক বাণিজ্যের এই ক্রমবর্ধমান ধারা বিসিএস পরীক্ষার অর্থনৈতিক অংশের জন্য বেশ উপযোগী তথ্য।
রানা প্লাজা দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপটে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা ও গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলোর সমন্বয়ে 'অ্যালায়েন্স' গঠিত হয়েছিল। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ক্রেতাদের একই ধরনের সংগঠনের নাম হলো 'অ্যাকর্ড'। বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারিতে তৈরি পোশাক শিল্প খাতের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সংগঠন নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন হয়ে থাকে।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন