40th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 40th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়বৈষ্ণব পদাবলি মূলত কৃত্রিম 'ব্রজবুলি' ভাষায় রচিত, যা বাংলা ও মৈথিলি ভাষার মিশ্রণে গঠিত এক বিশেষ কাব্যভাষা। এই ভাষার মূল স্রষ্টা বিদ্যাপতি হলেও গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাস ও চণ্ডীদাসও এতে পদ রচনা করেছেন। বিসিএস প্রস্তুতিতে মনে রাখবেন, মৈথিলি ভাষার এই কৃত্রিম রূপটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা আধুনিক উপন্যাসের প্রবর্তক ও 'সাহিত্য সম্রাট' বলা হয়। তাঁর প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা উপন্যাসের আধুনিক যুগের সূত্রপাত ঘটে। বিসিএস পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের নাম ও তাঁর ঐতিহাসিক উপাধিগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
উদ্ধৃত লাইনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'যোগাযোগ' উপন্যাসের প্রথম অধ্যায় থেকে নেওয়া হয়েছে, যা ১৯২৭ সালে 'বিচিত্রা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের দুটি স্মরণীয় প্রধান চরিত্র হলো কুমুদিনী ও মধুসূদন। বিসিএস পরীক্ষার জন্য রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসগুলোর বিখ্যাত উক্তি ও চরিত্রগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তরটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিসিএস সিলেবাসে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য একটি আবশ্যিক ও নম্বরবহুল টপিক, তাই এজাতীয় উপন্যাস, নাটক ও চলচ্চিত্রের নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
মাহমুদুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস 'কালো বরফ' (১৯৭৭)-এর মূল বিষয়বস্তু হলো দেশভাগের প্রেক্ষাপটে মানুষের ব্যক্তিসত্তার ভাঙাগড়া এবং দাঙ্গা-সংঘাতের আবহ। দেশভাগের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত বাংলা কথাসাহিত্যে এই উপন্যাসটি একটি মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত। বিসিএস-এ প্রায়ই বিখ্যাত উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু বা পটভূমি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়।
১৮৬১ সালে প্রকাশিত সাপ্তাহিক 'ঢাকা প্রকাশ'-এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র, যা তৎকালীন বাঙালি সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের সংবাদপত্র এবং সম্পাদকদের নাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
'জীবনস্মৃতি' (১৯১২) হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অনন্য আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এতে কবির শৈশব ও কৈশোরের দিনগুলোর পাশাপাশি তাঁর সাহিত্যিক বিকাশ ও মানসগঠনের চমৎকার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। বিসিএস পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন প্রবন্ধ ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম প্রায়ই দেখা যায়।
দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত 'নীলদর্পণ' নাটকটি (১৮৬০) ইংরেজিতে 'The Indigo Planting Mirror' নামে অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, যেখানে তিনি 'A Native' ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন। নীলচাষীদের ওপর নীলকর সাহেবদের অকথ্য নির্যাতন এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু। বিসিএস-এ অনুবাদের এই ঐতিহাসিক তথ্যটি বহুবার এসেছে।
আলোচ্য জনপ্রিয় চরণ দুটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের 'আমার পণ' কবিতা থেকে সংগৃহীত। তিনি শিশুশিক্ষার প্রসারে ও নৈতিকতাবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। বিসিএস পরীক্ষার বাংলা সাহিত্য অংশে বিখ্যাত কবিতার পঙ্ক্তি ও তার রচয়িতা শনাক্ত করার প্রশ্ন প্রায়ই থাকে।
'পল্লীকবি' জসীমউদ্দীনের একটি অন্যতম বিখ্যাত গদ্য রচনা হলো 'যাদের দেখেছি'। পল্লিজীবন, গ্রামীণ প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষ তাঁর রচনার মূল উপজীব্য হওয়ায় তাঁকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বিসিএস প্রস্তুতিতে তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস ‘রাজসিংহ’-এর সপ্তম খণ্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ থেকে এই বিখ্যাত উক্তিটি নেওয়া হয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র বাংলা উপন্যাসে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের ভাবাদর্শের এক অপূর্ব সেতু বন্ধন করেছিলেন। বিসিএস প্রস্তুতিতে বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস ও বিখ্যাত চরিত্রগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
হিন্দু কলেজের প্রখ্যাত শিক্ষক ডিরোজিওর শিষ্যরাই ‘ইয়ংবেঙ্গল’ বা তরুণ বাংলা গোষ্ঠী নামে পরিচিত, যাদের মধ্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত অন্যতম। এরা উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণ বা রেনেসাঁসের অগ্রদূত হিসেবে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিসিএস পরীক্ষায় বাংলার নবজাগরণ ও ডিরোজিওর অনুসারীদের অবদান থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুলের অমর সৃষ্টি ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে রচিত হয় এবং ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে এক নতুন বিপ্লব ও বিদ্রোহের স্বর উচ্চারিত হয়েছিল। কবি নজরুলের জন্ম, মৃত্যু এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও পত্রিকার নাম বিসিএস প্রিলিমিনারির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
‘আগুন পাখি’ (২০০৬) প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস, যা মূলত দেশভাগের ব্যথা ও সাম্প্রদায়িকতার পটভূমিতে রচিত। এর মূল চরিত্র ‘মেজবউ’ গ্রামীণ নারীর সংগ্রামী জীবনের প্রতীক। বিসিএস সাহিত্য অংশে দেশভাগভিত্তিক উপন্যাস এবং বরেণ্য লেখকদের আত্মজীবনীমূলক বা সামাজিক উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
ভাষা আন্দোলনের অমর গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’-র প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ হলেও বর্তমানে যে জনপ্রিয় সুরে গাওয়া হয় তা আলতাফ মাহমুদের করা। গানটি ১৯৫৪ সাল থেকে শহীদ দিবসের প্রধান সংগীত হিসেবে নিয়মিত গাওয়া হচ্ছে। একুশের গান, কবিতা ও সংকলনের ইতিহাস থেকে প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন