40th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 40th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ক্রিয়াপদের সাথে অন্য পদগুলোর যে পারস্পরিক সম্পর্ক বা অন্বয় থাকে, তাকে কারক বলে। মনে রাখবেন, কারক চেনার জন্য বাক্যের মূল ক্রিয়াকে 'কে বা কারা', 'কী' ইত্যাদি প্রশ্ন করে সম্পর্ক নির্ণয় করতে হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্য দিয়ে কোন কারক তা জানতে চাওয়া হয়, তাই এই মৌলিক বিষয়টি আয়ত্ত করা জরুরি।
'গির্জা' একটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দগুলোর মধ্যে গির্জা, পাদ্রি, আলমারি, চাবি, বালতি ও সাবান খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলো প্রায়ই বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অপশনে আসে। বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রশ্ন কমন পেতে পর্তুগিজ ও আরবি শব্দের তালিকাটি ভালোভাবে মুখস্থ করে নিন।
এখানে 'ঐচ্ছিক' এবং 'অনাবশ্যিক' শব্দ দুটি বিপরীতার্থক নয়, বরং সমার্থক। ঐচ্ছিক মানে যা ইচ্ছাধীন এবং অনাবশ্যিক অর্থ যা প্রয়োজনীয় নয় বা আবশ্যক নয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এমন কাছাকাছি অর্থের শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই বিপরীত শব্দ ও সমার্থক শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে পড়া উচিত।
বাংলা ব্যাকরণে 'দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক' অনুসর্গগুলো মূলত তৃতীয়া বিভক্তির আওতাভুক্ত। কারক নির্ণয়ের সময় করণ কারকে এই বিভক্তি বা অনুসর্গগুলোর বহুল ব্যবহার দেখা যায়। বিভক্তির রূপভেদ (যেমন- প্রথমা, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া) থেকে বিসিএসে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই চার্টটি ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
'অভিরাম' শব্দটি গঠিত হয়েছে সংস্কৃত 'অভি' উপসর্গের সাথে 'রাম' ধাতু যোগে, যার মূল অর্থ সুন্দর, মনোহর বা তৃপ্তিদায়ক। অন্যদিকে, 'বিরামহীন' অর্থ যা থামে না। বিসিএস পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন কমন পেতে বিগত বছরের প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
'শরতের শিশির' বাগধারাটির উপযুক্ত অর্থ হলো 'সুসময়ের বন্ধু', যা দিয়ে মূলত স্বার্থপর বা বিপদে অকার্যকর সম্পর্ককে বোঝানো হয়। একই অর্থে 'দুধের মাছি', 'বসন্তের কোকিল' বা 'সুখের পায়রা' বাগধারাগুলোও ব্যবহার করা হয়। বিসিএস বাংলা ব্যাক অংশে বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীকে কনফিউজ করে, তাই মিল থাকা বাগধারাগুলো একসাথে পড়বেন।
'শিব রাত্রির সলতে' বাগধারাটির অর্থ একমাত্র বংশধর বা একমাত্র সন্তান। এর সাথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তাহলো 'অন্ধের যষ্টি', যার অর্থ একমাত্র অবলম্বন। বিসিএস পরীক্ষায় কাছাকাছি অর্থের বাগধারাগুলোর সঠিক প্রয়োগ প্রায়ই পরীক্ষামূলকভাবে দেওয়া হয়।
যে নারীর স্বামী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন, তাকে এককথায় 'প্রোষিতভর্তৃকা' বলা হয়। এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। মনে রাখবেন, যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে তাকে 'প্রোষিতপত্নীক' বলা হয়—পরীক্ষায় এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো খেয়াল রাখতে হবে।
বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত সঠিক শব্দ হলো 'খেলনা' (√খেল্ + অনা)। ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে প্রত্যয় ও প্রকৃতি নির্ণয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ধাতু চেনার অভ্যাস থাকলে সহজে সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
ইংরেজি 'Attested' শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো 'সত্যায়িত'। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পরিভাষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি উভয় পরীক্ষার জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিভাষা পড়ার সময় বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত মানদণ্ডগুলো অনুসরণ করাই শ্রেয়।
সঠিক বানান হলো 'প্রোজ্জ্বল'। এখানে 'প্র' উপসর্গের সাথে 'উজ্জ্বল' যুক্ত হয়ে সন্ধির নিয়মে প্রোজ্জ্বল গঠিত হয়েছে, যার অর্থ বিশেষভাবে উজ্জ্বল। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বানান শুদ্ধি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্র-এর সাথে উজ্জ্বল শব্দের বানানটি ভালোভাবে খেয়াল রাখুন।
'জোছনা' হলো একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ, যা মূল সংস্কৃত 'জ্যোৎস্না' শব্দের কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত রূপ। যেসব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলা হয়। গিন্নি, কুচ্ছিত ও বোষ্টম এ ধরনের শব্দের চমৎকার কিছু উদাহরণ।
'জিজীবিষা' এককথায় প্রকাশ যার অর্থ 'বেঁচে থাকার ইচ্ছা'। মনে রাখবেন, জয়ের ইচ্ছা হলো 'জিগীষা' এবং হত্যার বা হনন করার ইচ্ছা হলো 'জিঘাংসা'। এককথায় প্রকাশের এই কাছাকাছি শব্দগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
'সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো সর্বাঙ্গ + ঈন্। এখানে 'ঈন্' প্রত্যয়যোগে বিশেষ বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। একই নিয়মে কুল থেকে কুলীন এবং সর্বজন থেকে সর্বজনীন শব্দগুলো গঠিত হয়, যা বিসিএস ব্যাকরণ অংশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যের রচনা বা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি চুরি করাকে এককথায় 'কুম্ভিলকবৃত্তি' বলা হয়। যে ব্যক্তি এই কাজটি করেন তাকে 'কুম্ভিলক' বা ইংরেজিতে 'plagiarist' বলা হয়। সাহিত্য ও সংস্কৃতির পরিভাষা হিসেবে এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি প্রশ্ন।
'ঊর্ণনাভ' একটি সংস্কৃত শব্দ যার আক্ষরিক ও সঠিক অর্থ হলো মাকড়সা। বিসিএস পরীক্ষার বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অংশে প্রায়ই এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়, যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে।
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধধর্মের সহজিয়া মতবাদ ও তত্ত্বকথা প্রচারের জন্য রচিত হয়েছিল। চর্যাপদের পদকর্তারা তাদের সাধনপ্রণালী ও ধর্মদর্শন সান্ধ্যভাষায় রূপকের মাধ্যমে প্রকাশ করতেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ইতিহাস জানার প্রধান হাতিয়ার।
লুইপাদ, কাহ্নপাদ ও শান্তিপাদ চর্যাপদের বিখ্যাত সিদ্ধাচার্য তথা প্রাচীন যুগের কবি। এদের মধ্যে রমনীপাদ প্রাচীন যুগের কবি নন। মনে রাখবেন, চর্যাপদের প্রথম কবি লুইপাদ এবং সর্বাধিক ১৩টি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপাদ।
'ময়মনসিংহ গীতিকা' পুঁথি সাহিত্যের অংশ নয়, এটি সমৃদ্ধ লোকগীতিকার অন্তর্গত যা ড. দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত এবং চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত। অন্যদিকে, ইউসুফ-জোলেখা বা লাইলী-মজনুর মতো কাব্যগুলো পুঁথি সাহিত্যের উজ্জ্বল নিদর্শন। লোকসাহিত্য ও পুঁথি সাহিত্যের এই পার্থক্য বিসিএস-এর জন্য মনে রাখা জরুরি।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও দর্শনকে কেন্দ্র করে জীবনীকাব্য রচনার ধারা গড়ে ওঠে। শ্রীচৈতন্যভাগবত রচনার মাধ্যমে জীবনীকাব্য রচনায় বৃন্দাবন দাস সবচেয়ে বেশি খ্যাতি অর্জন করেন। বৈষ্ণব ধর্মের প্রচার ও প্রসারেই এই সাহিত্যধারার মূল লক্ষ্য ছিল।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন