27th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 27th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়সঠিক উত্তর ‘কন্যাকুমারী’, যা বিশিষ্ট লেখক আবদুর রাজ্জাক রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এই অনবদ্য উপন্যাসের অবদানের জন্য তিনি ১৯৬১ সালে মর্যাদাপূর্ণ ‘আদমজী পুরস্কার’ লাভ করেন। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে সাহিত্যিকদের পুরস্কার ও তাঁদের বিখ্যাত উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর দৌলত কাজী, যিনি মুখে মুখে প্রচলিত লৌকিক বা কল্পকাহিনির প্রথম সার্থক রচয়িতা। তাঁর অমর সৃষ্টি ‘সতীময়না’ কাব্যে কল্পনা ও অলৌকিকতার অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়, যার পরিধি স্বর্গ থেকে পাতাল পর্যন্ত বিস্তৃত। মধ্যযুগের সাহিত্যের ক্ষেত্রে এই কবির পরিচিতি এবং তাঁর কাব্যের মূল চরিত্রগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর শেখ আব্দুর রহিম, যিনি ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত জনপ্রিয় সাপ্তাহিক ‘সুধাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি মাসিক ‘মিহির’ ও ‘হাফেজ’ পত্রিকাও সফলতার সাথে সম্পাদনা করেন। বিসিএস-এ প্রাচীন ও মধ্যবিত্ত বাঙালি মুসলিম সমাজের পত্রিকা এবং সম্পাদকদের নাম প্রায়ই কমন পড়ে।
সঠিক উত্তর ১৯২৭ সাল, যে সালে বিখ্যাত ‘মাসিক মোহাম্মদী’ নতুন আঙ্গিকে (নব পর্যায়ে) প্রকাশিত হয়। মূলত ১৯০৩ সালে এটি প্রথম যাত্রা শুরু করলেও কিছুকাল বন্ধ থাকার পর ১৯২৭ সালে মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় এটি নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ করে। বিসিএস পরীক্ষার জন্য পত্রিকার প্রকাশকাল এবং সম্পাদক সংক্রান্ত তথ্যগুলো অত্যন্ত ভ্যালুয়েবল।
সঠিক উত্তর ‘কল্লোল’, যা বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম মাইলফলক হিসেবে ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে 'কল্লোল যুগ' বা নতুন ধারার আধুনিকতার সূচনা ঘটেছিল। বিসিএস-এ আধুনিক যুগের বিভিন্ন সাহিত্যপত্রিকা এবং তাদের প্রকাশকাল থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর ‘ক্রান্তি’, যা ১৯৪০ সালে ঢাকা থেকে প্রগতি লেখক সংঘের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন রণেশ দাশগুপ্ত। বিসিএস প্রিলিমিনারির জন্য ঢাকাগতিক প্রকাশনা এবং বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকদের নাম মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর ‘দাম’, যা একটি বহুল ব্যবহৃত গ্রিক শব্দ। অন্যদিকে ‘তুফান’ আরবি, ‘লুঙ্গী’ বর্মি এবং ‘কুশন’ ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। বিসিএস বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও উৎস অধ্যায় থেকে বিদেশি শব্দের এই রূপভেদগুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর একুশটি, অর্থাৎ বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে (যেমন- অ, অঘা, অজ ইত্যাদি)। এর পাশাপাশি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে ২০টি। বিসিএস পরীক্ষায় উপসর্গ চেনার এই সংখ্যাবাচক প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই খাঁটি বাংলা ও তৎসম উপসর্গের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
সঠিক উত্তর ‘সমাপ্তি’, কারণ এই বিখ্যাত উক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সমাপ্তি’ ছোটগল্পের চঞ্চল ও প্রাণবন্ত নায়িকা ‘মৃন্ময়ী’কে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। বিসিএস সাহিত্য অংশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গল্প-উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র ও পঙক্তি বা সংলাপ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’, যা ১৮৯৫ সালে দীনেশচন্দ্র সেন কর্তৃক রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও সুশৃঙ্খল ইতিহাস গ্রন্থ। বিসিএস পরীক্ষার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও প্রাচীন-মধ্যযুগের গবেষকদের অবদান সম্পর্কিত এই তথ্যটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা কথাসাহিত্যের অপরাজিত জাদুকর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর অনন্য সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মর্যাদাপূর্ণ ‘জগত্তারিণী’ স্বর্ণপদক লাভ করেন। এছাড়া, ১৯৩৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ‘ডি. লিট’ উপাধিও অর্জন করেন—বিসিএস প্রিপারেশনের জন্য এই দুটি সালই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উনিশ শতকের প্রথমার্ধে রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ গ্রন্থ ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ (১৮৩৩) রচনা করেন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই রাজা রামমোহন রায় ও তাঁর সংস্কারমূলক গ্রন্থসমূহ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর ‘বেদান্তসার’ (১৮১৫) ও ‘সহমরণ বিষয়ক...’ গ্রন্থগুলোর নামও মনে রাখবেন।
'মেছো' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: মাছ + উয়া > ও (তদ্ধিত প্রত্যয়)। এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়ে পরবর্তীতে ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে 'মেছো' রূপ ধারণ করেছে, যা বিসিএস ব্যাকরণ অংশের জন্য খুবই চমৎকার একটি প্রশ্ন।
যেসব শব্দ ব্যাকরণের নিয়মিত নিয়ম বা সূত্র মেনে গঠিত হয় না, সেগুলোকে ‘নিপাতনে সিদ্ধ’ সন্ধি বলা হয়। এখানে 'পর + পর = পরস্পর' হলো নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কমন পড়ে।
রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত ‘কুলীনকুল সর্বস্ব’ (১৮৫৪) নাটকটি থেকেই মূলত বাংলা মৌলিক নাট্যসাহিত্যের গৌরবময় যাত্রা শুরু হয়। এর আগে অনুবাদ নাটক মঞ্চায়িত হলেও মৌলিক নাটকের ক্ষেত্রে এটিই প্রথম সফল প্রয়াস, যা বিসিএস সাহিত্য অংশে বারবার আসে।
কর্মধারয় সমাসে যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে 'উপমান' এবং যাকে সরাসরি তুলনা করা হচ্ছে অর্থাৎ প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় 'উপমেয়'। বিসিএসে উপমান, উপমেয় ও রূপক কর্মধারয় সমাস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন থাকে, তাই সংজ্ঞার এই পার্থক্যটি ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
অমর এই পঙ্ক্তিটি মদনমোহন তর্কালঙ্কার রচিত শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার বিখ্যাত বই ‘শিশু শিক্ষা’ থেকে সংগৃহীত। ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত এই বইটি তৎকালীন সময়ে শিশুপাঠ্য হিসেবে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন।
'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' হলো শক্তিমান আধুনিক কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর একটি জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়। বিসিএস পরীক্ষায় তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ যেমন—'সাতনরী হার' কিংবা 'কমলের চোখ'-ও প্রায়ই অপশনে থাকে।
বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী তাঁর লেখায় অতিপ্রাকৃত ভাবালুতা বা 'ন্যাকামি' এবং অকালপক্বতা বা 'জ্যাঠামি' চরম অপছন্দ করতেন। তাঁর প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ও মার্জিত গদ্যরীতি বাংলা সাহিত্যকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
যখন কোনো বিশেষণ পদ তুলনা বোঝাতে অন্য পদের চেয়েও উৎকর্ষ বা মাত্রা বুঝিয়ে দেয়, তখন তাকে ‘বিশেষণের অতিশায়ন’ বলে। ‘এ মাটি সোনার বাড়া’ বাক্যে ‘সোনা’ দিয়ে মাটির গুণকে সাধারণ তুলনার চেয়েও বাড়িয়ে বা ছাড়িয়ে বোঝানো হয়েছে।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন