25th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 25th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার প্রথম কৃতিত্ব ড. দীনেশচন্দ্র সেনের। তাঁর রচিত বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক ইতিবৃত্ত তুলে ধরেন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসভিত্তিক গ্রন্থ ও রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে কলকাতা থেকে বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা 'বঙ্গদর্শন' প্রথম প্রকাশিত হয়। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'বিষবৃক্ষ' এই পত্রিকাতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পরবর্তীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকার সম্পাদনা করেছিলেন।
কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি ১৯২২ সালে 'ধূমকেতু' পত্রিকার পূজা সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। ব্রিটিশবিরোধী এই বিপ্লবী কবিতার কারণে কবিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' (১৯২২) ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করা হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'সমাপ্তি'-র কেন্দ্রীয় চরিত্র বা নায়িকা চঞ্চল ও দুরন্ত স্বভাবের কিশোরী মৃন্ময়ী। গল্পে অপূর্বকৃষ্ণ ও মৃন্ময়ীর দাম্পত্য জীবনের মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর তুলে ধরা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের নারীপ্রধান চরিত্রগুলো বিসিএস সাহিত্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
'উত্তম পুরুষ' উপন্যাসটি বিশিষ্ট কথাশিল্পী রশীদ করিমের রচিত প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'প্রসন্ন পাষাণ' ও 'আমার যত গ্লানি'।
'কাশবনের কন্যা' বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সম্পাদক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত একটি সামাজিক ও রোমান্টিক উপন্যাস, যা ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে গ্রামীণ প্রান্তিক জনপদের মানুষের জীবন ও প্রেম নিখুঁতভাবে চিত্রিত হয়েছে।
'মনীষা মঞ্জুষা' প্রখ্যাত ভাষাতত্ত্ববিদ ও গবেষক ড. মুহম্মদ এনামুল হকের রচিত বিশিষ্ট প্রবন্ধ সংকলন। তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ও সুফিসাধনা বিষয়ে প্রামাণ্য গবেষণার জন্য বিশেষভাবে খ্যাত।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের আদর্শে বাংলায় ১৮৬৫ সালে চতুর্দশপদী কবিতা রচনা করেন। তাঁর বিখ্যাত সনেটগ্রন্থ 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জগদ্বিখ্যাত কবিতা 'কবর' ১৯২৫ সালে দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। তখন কবি ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বি.এ শ্রেণির ছাত্র। ছাত্রাবস্থাতেই কবিতাটি স্কুল পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
'ক্ষীয়মান' শব্দের অর্থ যা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে বা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'বর্ধমান' যার অর্থ যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উল্লেখ্য, যা ক্ষয় পাচ্ছে তাকে এক কথায় 'ক্ষয়িষ্ণু' বলা হয়।
বাক্য সংকোচনে 'নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার' তাকে বলা হয় 'নশ্বর'। পক্ষান্তরে, যা সহজে নষ্ট হয় না তা 'অবিনশ্বর' এবং ক্ষণিকের জন্য স্থায়ী বিষয়কে 'ক্ষণস্থায়ী' বলা হয়।
যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ এবং পরপদ বিশেষ্য হয় এবং সমস্ত পদ দ্বারা সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে (যেমন: ত্রিফলা, চৌরাস্তা, শতাব্দী)। দ্বিগু সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় এবং সমস্ত পদটি বিশেষ্য হয়।
'সংশয়' শব্দের সাথে 'পূর্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শুদ্ধ রূপ হয় 'সংশয়াপূর্ণ' (সংশয় + আপূর্ণ)। অন্য বিকল্পগুলোতে 'সংশয়যুক্ত' বা 'সংশয়াপন্ন' হতে পারত কিন্তু ব্যাকরণগত ত্রুটির কারণে 'তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ' বাক্যটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও শুদ্ধ।
'চাঁদমুখ' উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। যেখানে উপমেয় পদের (মুখ) সাথে প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর (চাঁদ) তুলনা করা হয় এবং সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকে না, তখন ব্যাসবাক্য হয় 'চাঁদের মতো মুখ' বা 'মুখ চাঁদের ন্যায়'।
ক্রিয়াকে 'কী' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্ম কারক। এখানে 'কী দিব?' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'ঔষধ'। যেহেতু 'ঔষধ' শব্দের সাথে কোনো স্পষ্ট বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি কর্ম কারকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি।
যেহেতু বাক্যটিতে 'যেহেতু... সুতরাং' এর মতো সাপেক্ষ জোড়া ব্যবহৃত হয়েছে এবং একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল, তাই এটি একটি জটিল বা মিশ্র বাক্য। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বাক্য চেনার জন্য ‘যে-সে’, ‘যত-তত’ বা ‘যদি-তো’ এর মতো সাপেক্ষ সর্বনাম ও অব্যয় থেকে প্রশ্ন করা হয়।
বিখ্যাত এই পঙ্ক্তিটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯১৬ সালে প্রকাশিত ‘বলাকা’ কাব্যের প্রথম কবিতার অংশ। বলাকা কাব্যগ্রন্থটি তার চলিত ভাষারীতি এবং গতির প্রতীকী রূপায়ণের জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে, যা বিসিএস সাহিত্য অংশে বারবার আসে।
বাংলা ছন্দ মূলত তিন প্রকার—মাত্রাবৃত্ত, স্বরবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে ছন্দের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই এই তিনটি ধারার মূল পার্থক্য মাথায় রাখা জরুরি।
সঠিক বানানটি হলো ‘দ্বন্দ্ব’, যেখানে দ-এর নিচে ব-ফলা এবং ন-এর নিচে দ যুক্ত রয়েছে। বানান শুদ্ধি অংশে এই জটিল শব্দটির সঠিক গঠন প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দের’ প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে চরণের শেষে কোনো অন্ত্যমিল বা রাইম থাকে না। ইংরেজিতে একে 'Blank Verse' বলা হয় এবং বিসিএস-এর জন্য এর বৈশিষ্ট্য ও প্রবর্তক সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন