23rd BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 23rd BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুবীয় অঞ্চলে স্ফীত। জিওড আকৃতির কারণে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় মাধ্যাকর্ষণ বল তথা অভিকর্ষজ ত্বরণ ($g$)-এর মান সবচেয়ে বেশি হয়, যার ফলে বস্তুর ওজনও মেরu অঞ্চলে সর্বোচ্চ হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে প্রায়ই এই সংক্রান্ত মহাকর্ষ-অভিকর্ষের প্রশ্ন আসে, তাই বিষুবীয় অঞ্চলে ওজন সর্বনিম্ন আর মেরু অঞ্চলে সর্বোচ্চ—এই তথ্যটি ভালোভাবে মনে রাখবেন।
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে কঠিন বা শক্ত পদার্থ হলো হীরা, যা কার্বনের একটি বিশুদ্ধ রূপ। এর ক্রিস্টাল স্ট্রাকচার অত্যন্ত সুদৃঢ় হওয়ায় হীরা কেবল হীরা দিয়েই কাটা সম্ভব। বিসিএস পরীক্ষার জন্য আরেকটি তথ্য মনে রাখুন—কৃত্রিমভাবে তৈরি সবচেয়ে কঠিন পদার্থটি হলো 'বোরোজেন'।
ক্যাসেটের ফিতায় শব্দের সিগন্যাল সংরক্ষণের জন্য মূলত আয়রন অক্সাইড ও বেরিয়াম অক্সাইডের তৈরি ফেরাইট চুম্বক ব্যবহার করা হয়। এই বিশেষ চৌম্বক পদার্থগুলোর ওপর তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে শব্দকে চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে স্থায়ীভাবে আটকে রাখা হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশের প্রস্তুতিতে এ ধরনের ডেটাভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়।
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যকার সম্পর্ক নির্ধারণের সূত্রটি হলো: $\mathrm{\frac{C}{5} = \frac{F-32}{9}}$। এখানে $\mathrm{C = F}$ ধরে সমীকরণটি সমাধান করলে তাপমাত্রা ঠিক $\mathrm{-40^{\circ}}$ পাওয়া যায়। এটি বিসিএসের একটি অত্যন্ত কমন ও গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক সমস্যা, যা সরাসরি মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে সময় বাঁচবে।
আমাদের অগ্ন্যাশয়ের 'আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স' নামক কোষগুচ্ছ থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয় যা রক্তের গ্লুকোজ বা চিনির বিপাক নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসুলিনের অপর্যাপ্ত নিঃসরণের ফলেই মূলত ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। স্বাস্থ্য ও পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত স্টারমার্ক দেওয়া প্রশ্ন।
খাবারে সুস্বাদু স্বাদ আনতে ব্যবহৃত টেস্টিং সল্ট-এর মূল রাসায়নিক নাম হলো 'মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট' (সংকেত: $\mathrm{C_5H_8NO_4Na}$)। বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই, কারণ সোডিয়াম বাইকার্বোনেট হলো মূলত আমাদের পরিচিত 'বেকিং সোডা' বা খাওয়ার সোডা। সাধারণ বিজ্ঞান অংশের বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগের বাণিজ্যিক ও রাসায়নিক নাম বিসিএসে প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল যত কম হয়, তাপ প্রয়োগে সেই পদার্থের প্রসারণ তত বেশি ঘটে। বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর আকর্ষণ কঠিন ও তরল পদার্থের তুলনায় সর্বনিম্ন হওয়ায় তাপ পেলে এরা সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় (প্রসারণের ক্রম: বায়বীয় > তরল > কঠিন)। পদার্থবিজ্ঞানের এই মৌলিক ধারণাটি বিভিন্নconceptual প্রিলিমিনারি প্রশ্নে কাজে লাগে।
পরমাণুর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াসে পজিটিভ চার্জযুক্ত 'প্রোটন' এবং চার্জ নিরপেক্ষ 'নিউট্রন' একত্রে অবস্থান করে, যাদের সম্মিলিতভাবে নিউক্লিয়ন বলা হয়। অন্যদিকে, ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে। রসায়নের প্রাথমিক এই বিষয়টি বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সহজ প্রশ্ন হিসেবে আসে।
মাটির পাত্রের গায়ে অসংখ্য অণুবীক্ষণিক বা ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে, যার ভেতর দিয়ে পানি চুইয়ে পাত্রের বাইরের পৃষ্ঠে চলে আসে এবং দ্রুত বাষ্পীভূত হয়। এই বাষ্পায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ কলসি ও ভেতরের পানি থেকে সংগৃহীত হয়, ফলে পানি দ্রুত তাপ হারিয়ে ঠান্ডা থাকে। এটি তাপগতিবিদ্যা ও বাষ্পীভবনের একটি চমৎকার বাস্তব উদাহরণ।
দিনভর সূর্য থেকে তাপ গ্রহণ করে ভূপৃষ্ঠ তা আবার মহাকাশে বিকিরণ করে ঠান্ডা হতে চায়, কিন্তু আকাশে মেঘ থাকলে তা একটি কম্বলের মতো কাজ করে। এই মেঘ ভূপৃষ্ঠের বিকীর্ণ তাপকে মহাশূন্যে চলে যেতে বাধা দেয় এবং তা আটকে রাখে, ফলে ভ্যাপসা ও অস্বস্তিকর গরম অনুভূত হয়। আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বিসিএসে প্রায়ই দেখা যায়।
কোষের নিউক্লিয়াসে থাকা সুতার মতো পেঁচানো 'ক্রোমোজোম' জীবের বংশগতির মূল বৈশিষ্ট্যগুলো এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে বহন করে। ক্রোমোজোমে অবস্থিত 'জিন' হলো বংশগতির প্রকৃত ধারক ও বাহক। জীববিজ্ঞান অংশে কোষ ও বংশগতি অধ্যায়ের জন্য এটি একটি অবশ্যম্ভাবী প্রশ্ন।
প্রাকৃতিক উপায়ে বাষ্পীভবন ও ঘনীভবন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৃষ্ট বৃষ্টির পানিতে কোনো ধরনের খনিজ লবণ দ্রবীভূত থাকে না বলে এটি সবচেয়ে মৃদু বা বিশুদ্ধ পানি। নদী বা হ্রদের পানিতে বিভিন্ন দ্রবীভূত লবণ থাকতে পারে, যা বৃষ্টির পানিতে অনুপস্থিত। পরিবেশ বিজ্ঞান ও পানিসম্পদ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞানের জন্য এটি একটি দারুণ তথ্য।
রেডিও আইসোটোপ হলো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষণায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন— আয়োডিন-১৩১ (I-131) থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের বিভিন্ন রোগ ও গলগণ্ড নির্ণয়ে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত এমন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপগুলোর তালিকা বিসিএস বিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চাঁদ যখন তার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে সূর্য ও পৃথিবীর ঠিক মাঝখানে চলে আসে, তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে সরাসরি পৌঁছাতে বাধা পায় এবং চাঁদের ছায়া পৃথিবীর নির্দিষ্ট অঞ্চলে পড়ে। এই মহাজাগতিক অবস্থাকেই 'সূর্যগ্রহণ' বলা হয়, যা সাধারণত অমাবস্যার তিথিতে ঘটে। ভূগোল ও জ্যোতির্বিজ্ঞান অংশের প্রস্তুতিতে এই ঘটনাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করে রাখুন।
বিষধর সাপের মুখে বিশেষ বিষথলির সাথে যুক্ত সামনের দিকে দুটি বড় এবং ফাঁপা বিষদাঁত থাকে। সাপ যখন কাউকে দংশন করে, তখন এই লম্বা দাঁত দুটি মাংসের ভেতরে গভীরে ঢুকে যায় এবং ক্ষতস্থানে পাশাপাশি স্পষ্টভাবে দুটি দাঁতের দাগ রেখে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা ও জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞানে এই শনাক্তকরণ পদ্ধতিটি খুব কাজে লাগে।
শূন্য ঘরে প্রতিধ্বনি ও শব্দের শোষণ কম হওয়ায় আওয়াজ বেশি শোনায়, কিন্তু লোকভর্তি হলে মানুষের শরীর ও পোশাক দ্বারা শব্দ শোষিত হয়ে তা ক্ষীণ বা মৃদু হয়ে যায়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে এ ধরনের সাধারণ বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই শব্দবিজ্ঞান বা অ্যাকোস্টিক্সের মৌলিক ধারণাগুলো পরিষ্কার রাখুন।
পেট্রোলের আগুন পানি দিয়ে নেভানো যায় না কারণ পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা হওয়ায় ভেসে থাকে এবং এর চরম উত্তাপে পানি বিশ্লিষ্ট হয়ে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনে পরিণত হয়ে উল্টো আগুন বাড়িয়ে দেয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই ব্যতিক্রমী বিষয়গুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কম্পিউটারের চমৎকার গতি, নির্ভুল হিসাব ও বিশাল স্মৃতিভাণ্ডার থাকলেও মানুষের মতো কোনো জৈবিক বুদ্ধি, আবেগ বা নিজস্ব বিবেচনা ক্ষমতা নেই। এটি কেবল মানুষের দেওয়া নির্দেশ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অ্যালগরিদমের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৎস্য চাষ করাকেই ‘পিসিকালচার’ বলা হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে প্রায়ই বিভিন্ন চাষাবাদ যেমন পোলট্রি, এপিকালচার বা সেরিকালচার সম্পর্কিত প্রশ্ন এসে থাকে, তাই এগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
উড়োজাহাজের গতি পরিমাপের জন্য ট্যাকোমিটার ব্যবহার করা হয়, যা বিমানের স্পিড নির্ণয়ে অত্যন্ত কার্যকরী। পরীক্ষার জন্য ক্রনোমিটার (সময়), ওডোমিটার (গাড়ির দূরত্ব) এবং ক্রোসকোগ্রাফের (উদ্ভিদের বৃদ্ধি) কাজগুলোও একনজরে দেখে রাখুন।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন