23rd BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 23rd BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়চাঁদ সওদাগর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের 'মনসামঙ্গল' কাব্যের এক বিখ্যাত ও বিদ্রোহী চরিত্র, যিনি দেবী মনসার পূজা করতে অস্বীকৃতি জানান। মঙ্গলকাব্যের ধারা এবং এর প্রধান চরিত্রগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, তাই চাঁদ সওদাগর ও লখিন্দর-বেহুলার নামগুলো ভালোভাবে মনে রাখবেন।
‘ইউসুফ-জোলেখা’ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য যা শাহ্ মুহম্মদ সগীর সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলে অনুবাদ করেন। এটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার আদি নিদর্শন; বিসিএস পরীক্ষায় মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কবি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তিবিলাস’ মূলত উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত কমেডি নাটক ‘কমেডি অব এররস’-এর গদ্য অনুবাদ। বিসিএস প্রস্তুতিতে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের মৌলিক ও অনূদিত গ্রন্থগুলোর নাম এবং উৎস নাটক বা গ্রন্থ আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ রাখা উচিত।
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ত্রয়ী শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যিনি মূলত কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত কিন্তু কোনো উপন্যাস লেখেননি। বিসিএস-এ প্রায়ই সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম বা কোন সাহিত্যিক কোন শাখায় অবদান রাখেননি তা থেকে প্রশ্ন আসে।
‘দুধেভাতে উৎপাত’ প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত গল্পগ্রন্থ। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস ('চিলেকোঠার সেপাই', 'খোয়াবনামা') এবং ছোটগল্পগুলো বিসিএস পরীক্ষার বাংলা সাহিত্য অংশে প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়।
রোহিনী বঙ্কিমচন্দ্রের 'কৃষ্ণকান্তের উইল', বিনোদিনী রবীন্দ্রনাথের 'চোখের বালি' এবং কিরণময়ী শরৎচন্দ্রের 'চরিত্রহীন' উপন্যাসের প্রখ্যাত নারী চরিত্র। বাংলা উপন্যাসের বিখ্যাত নারী চরিত্রগুলোর নাম ও তাদের স্রষ্টা ঔপন্যাসিকদের নাম মিলিয়ে পড়া বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য একটি চমৎকার কৌশল।
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’—এই বিখ্যাত প্রার্থনাটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকারের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে করেছিলেন। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত পঙক্তি ও চরিত্রের উৎস বিসিএস-এ বহুল জিজ্ঞাসित প্রশ্ন।
যুক্তবর্ণ ‘হ্ম’ বিশ্লেষলে পাওয়া যায় ‘হ্ + ম’ (যেমন- ব্রহ্ম, ব্রাহ্মণ)। বিসিএস বাংলার ব্যাকরণ অংশে যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ বা বর্ণমালা থেকে একটি প্রশ্ন নিয়মিত থাকে, তাই হ-ফলা বা ম-ফলার ব্যতিক্রমী রূপগুলো সতর্কতার সাথে চর্চা করুন।
চিঠিপত্র বা প্রাতিষ্ঠানিক সম্বোধনের নিয়মানুযায়ী অবিবাহিতা নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে ‘কল্যাণীয়াষু’ বা ‘কল্যাণীয়েষু’ শব্দটি প্রযোজ্য। বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক ও পত্রালাপের শিষ্টাচার অংশে এ ধরনের নিয়ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
‘পেয়ারা’ শব্দটি বাংলা ভাষায় আগত একটি পর্তুগীজ শব্দ (পাশাপাশি আনানাস, আলমারি, গির্জা ইত্যাদি)। বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয় বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক, বিগত সালের প্রশ্নগুলো থেকে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
‘শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ’ তিনটি শব্দই নদীর সমার্থক শব্দ। বিসিএস পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অপশনের প্রতিটি শব্দের অর্থ গভীরভাবে যাচাই করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
‘স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক’ শব্দগুলো ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ বানান ঠিক আছে। বিসিএস প্রিলিমিনারির বানান শুদ্ধি অংশে নম্বর নিশ্চিত করতে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম এবং বহুল ব্যবহৃত বানানগুলো নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
‘প্রাতরাশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো ‘প্রাতঃ + আশ’, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। বিসিএস পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি এবং নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়, তাই নিয়মগুলো আয়ত্ত করা জরুরি।
যে পদ বাক্যের ক্রিয়াপদের সময়, স্থান, গুণ, প্রকৃতি ও তীব্রতা নির্দেশ করে তাকে ‘ক্রিয়াবিশেষণ’ বলে। পদ প্রকরণ থেকে আসা এই ধরনের সংজ্ঞাভিত্তিক প্রশ্নগুলো বিসিএস-এ ভালো করার জন্য মূল বইয়ের সংজ্ঞা ও উদাহরণ ভালোভাবে পড়তে হবে।
‘রামগরুড়ের ছানা’ বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো অত্যন্ত গোমড়ামুখো বা যে সহজে হাসে না। বিসিএস বাংলা ব্যাকরণের বাগধারা অংশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রবাদ-প্রবচন ও বাগধারার অর্থ ও প্রয়োগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
বাংলা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী, তারিখ লেখার সময় মাসের পর এবং স্থানবাচক শব্দের পরে কমা বসাতে হয়। সঠিক ফরম্যাট হলো "ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২", তাই প্রদত্ত অপশনে মাসের পর কমা না থাকায় তা ভুল। বিরামচিহ্নের এমন সূক্ষ্ম নিয়মগুলো বিসিএস বাংলা ব্যাকরণ অংশে প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
‘বামেতর’ শব্দের ব্যাসবাক্য বা আক্ষরিক বিশ্লেষণ হলো 'বামের ইতর বা ভিন্ন', যার অর্থ দাঁড়ায় ডান বা দক্ষিণ দিক। বাংলা ব্যাকরণে এমন অনেক বিভ্রান্তিকর শব্দের অর্থ রয়েছে যা নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হয়।
বাংলা ভাষার প্রথম থিসরাস বা সমার্থক শব্দের অভিধান ‘যথাশব্দ’ সংকলন করেন বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, যা ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক এমন মৌলিক গ্রন্থ ও সংকলক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।
‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো টাকা জমানোর তীব্র লোভ বা সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি। বিসিএস পরীক্ষায় কমন বাগধারার অর্থ নির্ণয়ে এই ধরনের প্রশ্নগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যে সমাসের স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাসবাক্য হয় না বা করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে; যেমন—'গ্রামান্তর' বা 'অন্য গ্রাম'। বিসিএস ব্যাকরণ প্রস্তুতিতে সমাসের প্রকারভেদ ও ব্যতিক্রমী উদাহরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন