41st BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 41st BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় 'ফলা' (যেমন- ব-ফলা, ম-ফলা)। অন্যদিকে, স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় 'কার' (যেমন- আকার, ই-কার)। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত এই প্রশ্নগুলো প্রায়ই আসে, তাই কার ও ফলার সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখবেন।
বাংলা পাঁচালি গানের ইতিহাসে দাশরথি রায় সর্বাধিক খ্যাতি ও জনপ্রিয় অর্জন করেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত স্বভাবকবি, যিনি সনাতন ধর্মীয় আখ্যানকে ভিত্তি করে আকর্ষণীয় পাঁচালি রচনা করতেন। বিসিএস সাহিত্য অংশে বিভিন্ন উপাধি ও সাহিত্যিকদের অবদান থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
ব্রিটিশবিরোধী স্বদেশি ও অসহযোগ আন্দোলনের সময় গান ও যাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলার জন্য মুকুন্দ দাস 'চারণকবি' হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। বাংলা সাহিত্যের এই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অবদান বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প 'নষ্টনীড়'-এর কেন্দ্রীয় ও কালজয়ী চরিত্র হলো 'চারুলতা' (ভূপতির স্ত্রী)।
'শশব্যস্ত' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'শশকের ন্যায় ব্যস্ত', যেখানে উপমান (শশক) ও উপমেয়ের (ব্যস্ত) তুলনা বোঝানো হয়েছে। উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদটি পরে বসে এবং এটি চেনার সহজ উপায় হলো এর ব্যাসবাক্যে 'ন্যায়' শব্দটি থাকে।
'আজি' থেকে 'আইজ' রূপান্তরটি অপিনিহিতির классический উদাহরণ, যেখানে পরের 'ই-কার' বা 'উ-কার' বা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগের উচ্চারিত হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি পরিবর্তন অধ্যায় থেকে এই ধরনের নিয়মভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় কমন পড়ে।
'কুসীদজীবী' এক কথায় প্রকাশ যার অর্থ হলো যিনি সুদে টাকা ধার দেন বা সুদখোর ব্যক্তি। বিসিএস পরীক্ষার বাংলা ব্যাকরণ অংশের এক কথায় প্রকাশ বা শব্দার্থ নির্ণয়ে এই ধরনের একটু কঠিন ও প্রমিত শব্দগুলো প্রায়ই দেওয়া হয়।
'আলুনি' শব্দটিতে 'আ' উপসর্গটি 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে (লবণ বা নুনের অভাব বোঝাতে)। বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের অর্থ এবং তাদের প্রয়োগ বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
চর্যাপদের দুর্বোধ্য পদগুলোকে সহজবোধ্য করার জন্য মুনিদত্ত সংস্কৃত ভাষায় প্রথম টীকা রচনা করেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের যে পুঁথি আবিষ্কার করেছিলেন, তাতে মূল পদের পাশাপাশি মুনিদত্তের এই সংস্কৃত টীকাটিও যুক্ত ছিল।
শুদ্ধ বানানটি হলো 'সান্ত্বনা' (স + আকার + ন্ত্ব + ন + আকার)।
সঠিক উত্তর হলো 'চিলেকোঠার সেপাই'। ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৬)। প্রধান চরিত্র হলো- ওসমান, খিজির, আনোয়ার প্রমুখ। কোনাবাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান। এখানে স্বাধীনতা সংগ্রামের পূর্বরূপটি উঠে এসেছে। তাঁর আরেকটি উপন্যাস ‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬) এতে কাৎলাহার বিলের চাষি মাঝিদের জীবনচরিত বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়া ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, তেভাগা আন্দোলন, ১৯৪৩ এর মন্বন্তর, আসামের ভূমিকম্প, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদির উপাদান এই উপন্যাসে রয়েছে।
সঠিক উত্তর হলো 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’'। চোখের বালি (১৯০৩) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিকমূলক সামাজিক উপন্যাস। বাঙালি সমাজ ও পরিবারের বিচিত্র বিশ্লেষণ ও বিধবার ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র মেলে। প্রধান চরিত্রগুলো- মহেন্দ্র, বিনোদিনী, আশালতা ও বিহারী, রাজলক্ষী। বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা আকাঙ্ক্ষা, প্রেম, দুঃখ এই উপন্যাসকে এগিয়ে নিয়ে যায়। আশালতা মহেন্দ্রের স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র আশালতার ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।
সঠিক উত্তর হলো 'গঙ্গা'। গঙ্গা (১৯৫৫) সমরেশ বসু (১৯২৪-১৯৮৮) রচিত একটি ধ্রুপদী বাংলা উপন্যাস। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত নদীকেন্দ্রিক এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় দক্ষিণবঙ্গ, বিশেষত অবিভক্ত ২৪ পরগনা জেলার মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের (মাছমারা) জীবনসংগ্রামের কাহিনি। আপাতদৃষ্টিতে উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা হলো বিলাস ও হিমি। কিন্তু সব চরিত্রই নিবারণের ছায়া অবলম্বনে সেদিক থেকে নিবারণ কেন্দ্রীয় চরিত্র।
সঠিক উত্তর হলো 'ভাববাচ্য'। বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশ ভঙ্গিকেই বাচ্য বলে। বাচ্য ৩ প্রকার- ১. কর্তৃবাচ্য: যে বাচ্যে কর্তার অর্থ প্রাধান্য পায় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয় তাকে কর্তৃবাচ্য বলে। যেমন- ছাত্ররা অঙ্ক করছে। ২. কর্মবাচ্য: যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্পর্ক প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্ম বাচ্য বলে। যেমন- শিকারি কর্তৃক ব্যাঘ্র নিহত হয়েছে। ৩. ভাব বাচ্য: যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে। ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয় এবং কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন- আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) খাওয়া হলো না, আমাকে (কর্তায় দ্বিতীয়া) এখন যেতে হবে। ডিঙি টেনে বের করতে হবে (কখনও ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে)। কর্মকর্তৃবাচ্য- যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করে তাই কর্মকর্তৃবাচ্য। যেমন: বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে।
সঠিক উত্তর হলো 'সমরেশ বসু'। বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক সমরেশ বসুর (১৯২৪-১৯৮৮) ছদ্মনাম ‘কালকূট’ ও ‘ভ্রমর’। তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহ- উত্তরঙ্গ, জগদ্দল, বিবর, প্রজাপতি, দেখি নাই ফিরে, সওদাগর, তিন পুরুষ, বাঘিনী, রক্তিম বসন্ত।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন