28th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 28th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়বিখ্যাত রোমান সেনাপতি ও একনায়ক জুলিয়াস সিজার খ্রিস্টপূর্ব ৪৯ থেকে ৪৪ অব্দ পর্যন্ত রোম শাসন করেছিলেন, যা আজকের দিন থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগের ইতিহাস। বিশ্ব ইতিহাসের এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের সময়কাল ও পরিচিতি বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গাড়ির ড্যাশবোর্ডে মাথায় আঘাত পাওয়ার ফলে কেউ তার চেতনা বা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে—এমন অর্থে 'lost consciousness' বা জ্ঞান হারানো সবচেয়ে উপযুক্ত অভিব্যক্তি। ইংরেজি গ্রামার ও উপযুক্ত শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে বাক্যের ভাবার্থের সাথে সামঞ্জস্য রাখাটা পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই জরুরি।
বাক্যের শুরুতে 'Only after' এর মতো নেগেটিভ অ্যাডভার্ব থাকলে পরবর্তী ক্লজটি সাধারণ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে (went) গঠিত হয় এবং পরের অংশে ইনভার্শন নিয়ম মেনে চলতে হয়। বিসিএস ইংরেজি ব্যাকরণে এ ধরনের স্ট্রাকচার বা নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
এখানে সঠিক ফ্রেজাল ভার্বটি হলো 'put aside', যার অর্থ ভবিষ্যতের জন্য টাকা বা কিছু সঞ্চয় করে রাখা বা জমিয়ে রাখা। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কমন ফ্রেজাল ভার্ব ও উপযুক্ত প্রিপ্রোজিশনের সঠিক ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
এখানে সাদৃশ্য বা অ্যানালজি (Analogy) হলো কোনো বিষয় এবং তার সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানের শাখা। যেমন বাঘ হলো প্রাণিবিজ্ঞানের (Zoology) আলোচ্য বিষয়, ঠিক তেমনি মঙ্গল গ্রহ হলো জ্যোতির্বিজ্ঞানের (Astronomy) আলোচ্য বিষয়। বিসিএস মানসিক দক্ষতা অংশে এ ধরনের শব্দার্থ ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন নিয়মিত আসে।
এটি একটি চমৎকার সমার্থক বা ক্রিয়াভিত্তিক অ্যানালজি, যেখানে কোনো বস্তু ভেঙে গেলে (Break) তাকে ঠিক করতে হয় Repair দিয়ে, আর শরীর ক্ষতবিক্ষত বা আঘাতপ্রাপ্ত (Wound) হলে তার চিকিৎসায় প্লাস্টার (Plaster) ব্যবহার করা হয়। মানসিক দক্ষতার প্রশ্নগুলো সমাধানের জন্য শব্দের সঠিক ভাবার্থ ও পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝা জরুরি।
অ্যানালজির নিয়ম অনুযায়ী, অতিরিক্ত ভয়ে মানুষ যেমন ভয়ে আর্তনাদ বা চিৎকার (Scream) করে, তেমনি অতিরিক্ত রাগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে মানুষ সাধারণত উচ্চস্বরে চেঁচায় বা চিৎকার (Shout) করে। বিসিএস মানসিক দক্ষতার নম্বর পাকা করতে এই ধরনের সূক্ষ্ম শব্দার্থগত পার্থক্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত গুণতে গেলে '৫' সংখ্যাটি মোট ২০ বার আসে (একক স্থানে ১০ বার এবং দশক স্থানে ১০ বার)। তবে প্রশ্নে বলা হয়েছে 'how many 5s will you pass on the way' — যার অর্থ ৫-এর অংকগুলো পার হতে হবে, যেখানে ৫৫ (55)-এ দুটি ৫ থাকলেও আপনি একটি ৫ পার করে পরেরটিতে যান, ফলে মোট ১৯টি ৫ অতিক্রম করতে হয়। বিসিএস মানসিক দক্ষতায় এমন পাজল বা ট্রিকি প্রশ্ন প্রায়ই কনফিউজ করার জন্য দেওয়া হয়, তাই সাবধানে উত্তর করবেন!
এটি মূলত একটি বুদ্ধিমত্তার প্রশ্ন, যার উত্তর সরাসরি প্রশ্নেই লুকিয়ে আছে। 'All but 9 died' কথাটির অর্থ হলো ৯টি মুরগি বাদে বাকি সবাই মারা গেছে, অর্থাৎ জীবিত মুরগির সংখ্যা ৯টিই রইল। বিসিএস প্রিলি কিংবা ভাইভায় এমন চতুর ও সহজ প্রশ্ন পরীক্ষার্থীর প্রেজেন্স অফ মাইন্ড যাচাই করতে করা হয়।
ঐকিক নিয়মের এই ম্যাথটি খুব সহজেই সমাধান করা যায়: ২ মিনিটে ২ পৃষ্ঠা টাইপ করতে টাইপিস্ট লাগে ২ জন, সুতরাং ১ মিনিটে ১ পৃষ্ঠা টাইপ করতেও ২ জন টাইপিস্টই যথেষ্ট। এখন ৬ মিনিটে ১৮ পৃষ্ঠা টাইপ করার হিসাব করলে সমীকরণ দাঁড়ায়— (২ × ১৮) ÷ (৬ × ২) = ৬ জন। বিসিএসের মানসিক দক্ষতা অংশে এ ধরনের কাজের সময় ও লোকসংখ্যার অংকগুলো একটু ঠান্ডা মাথায় সমাধান করলে সহজেই ফুল মার্কস পাওয়া সম্ভব।
বাক্যটির শুরু থেকে বর্ণগুলো হিসাব করলে পাই: 1st 'T' (ব্যঞ্জনবর্ণ), 2nd 'h' (ব্যঞ্জনবর্ণ), 3rd 'e' (স্বরবর্ণ), 4th 'f' (ব্যঞ্জনবর্ণ), 5th 'i' (স্বরবর্ণ), 6th 'f' (ব্যঞ্জনবর্ণ) এবং 7th 't' (ব্যঞ্জনবর্ণ)। এখানে স্বরবর্ণ বাদ দিয়ে কেবল ব্যঞ্জনবর্ণগুলোর ক্রম হিসাব করলে পঞ্চম ব্যঞ্জনবর্ণটি হয় 't'। বিসিএস প্রিলির ইংরেজি মানসিক দক্ষতা অংশে এমন লেটার সিরিজ বা কাউন্টিং খুব মনোযোগ দিয়ে সমাধান করতে হয়।
মাসের ২য় দিন যদি সোমবার হয়, তবে ঠিক ১৪ দিন পর অর্থাৎ ২ + ১৪ = ১৬তম দিনও সোমবার হবে। এরপর ১৭তম দিন মঙ্গলবার এবং ১৮তম দিন হবে বুধবার। বিসিএস পরীক্ষার ক্যালেন্ডার সংক্রান্ত মানসিক দক্ষতা প্রশ্নে এমন দিন গণনার শর্টকাট কৌশল সময় বাঁচাতে দারুণ কাজে দেয়।
উভয় ব্যক্তি একই বিন্দু থেকে বিপরীত দিকে ৪ মিটার করে হাঁটার পর একে অপরের থেকে ৮ মিটার দূরে অবস্থান করে। এরপর প্রত্যেকে বাম দিকে ঘুরে আরও ৩ মিটার হাঁটলে তাদের মধ্যে লম্ব দূরত্ব তৈরি হয়, যা পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ হিসেবে হিসাব করতে হয়। ফলে তাদের মধ্যকার মোট দূরত্ব দাঁড়ায় √(৮^২ + ৬^) = ১০ মিটার। মানসিক দক্ষতার জ্যামিতিক দূরত্ব নির্ণয়ের এই ক্লাসিক নিয়মটি বিসিএসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্নানুসারে সমীকরণটি হলো: (৩০/১০০) × ১০ = (১০/০০) × z, যার সরলীকরণ করলে দাঁড়ায় ৩ = z/১০ এবং z = ৩০। বিসিএসের শতকরা ও অনুপাতের অংকগুলো এভাবে সমীকরণ আকারে সাজিয়ে দ্রুত সমাধান করা যায়।
বর্তমানে রহিমের বয়স ১২ বছর, যা করিমের বয়সের ৩ গুণ, অর্থাৎ করিমের বয়স ১২ ÷ ৩ = ৪ বছর। তাদের বয়সের পার্থক্য ১২ - ৪ = ৮ বছর, যা সবসময় সমান থাকবে। রহিম যখন করিমের বয়সের দ্বিগুণ (2x এবং x) হবে, তখন বয়সের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে করিমের বয়স হবে ৮ বছর এবং রহিমের বয়স হবে ১৬ বছর।
৩০ কে অর্ধেক (1/2) দিয়ে ভাগ করার অর্থ হলো ৩০ কে ১/২ এর উল্টো ভগ্নাংশ অর্থাৎ ২ দ্বারা গুণ করা, যার ফল দাঁড়ায় ৬০; এরপর এর সাথে ১০ যোগ করলে উত্তর হয় ৭০। বিসিএসের মানসিক দক্ষতায় ভগ্নাংশের এমন ট্রিকি ভাষা ব্যবহার করে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই 'divided by half' এবং 'divided in half' এর পার্থক্য মাথায় রাখতে হবে।
গড় গতিবেগ নির্ণয়ের সঠিক সূত্র হলো: মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব ÷ মোট ব্যয়িত সময়। অনুকূলে ৪ মাইল যেতে সময় লাগে ৪ ÷ ১ = ৪ ঘণ্টা এবং প্রতিকূলে ফিরে আসতে সময় লাগে ৪ ÷ ৪ = ১ ঘণ্টা, অর্থাৎ মোট দূরত্ব ৮ মাইল এবং মোট সময় ৫ ঘণ্টা। সুতরাং গড় গতিবেগ হবে ৮ ÷ ৫ = ১.৬ মাইল প্রতি ঘণ্টা (mph)। বিসিএস গাণিতিক যুক্তিতে এই সূত্রটি গতির অংক সমাধানে একটি মাস্ট-নোহ ফ্যাক্ট।
বাঙালি মূলত একটি সংকর জাতি হলেও, ঐতিহাসিকদের মতে আমাদের জাতির মূল ভিত্তি গড়ে উঠেছে 'অস্ট্রিক' আদিবাসী গোষ্ঠীর হাত ধরে। আর্য, দ্রাবিড় ও মঙ্গোলয়েডসহ নানা জাতির মিশ্রণে আমাদের সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হলেও অস্ট্রিকরাই এ অঞ্চলের আদি অধিবাসী। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বাঙালি সংস্কৃতির উৎস ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখবেন।
১৬১০ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সুবেদার ইসলাম খান বিহারের রাজমহল থেকে বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করেন 'জাহাঙ্গীরনগর'। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই কমন। মনে রাখবেন, স্বাধীনতার পূর্বে ঢাকায় মোট চারবার (১৬১০, ১৬৬০, ১৯০৫ ও ১৯৪৭ সালে) রাজধানী স্থাপিত হয়েছিল।
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে ঐতিহাসিক ২১ দফার রচয়িতা ছিলেন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদ। এর প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবিটি ছিল 'বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা'। ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির স্বাধিকার সংগ্রামের ইতিহাস অংশে ভালো করতে ২১ দফার প্রথম দাবি ও রচয়িতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন