18th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 18th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
7টি বিষয়যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কেবল একজন সফল রাজনীতিবিদই ছিলেন না, বরং চমৎকার লেখনশীনতার জন্যও তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে লেখা তাঁর অনবদ্য গ্রন্থ ‘History of the Second World War’-এর সুবাদে তিনি ১৯৫৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ব্যতিক্রমী এই অর্জনটি বিসিএস সাধারণ জ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
মিলেনিয়াম বা ২০০০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস আয়োজনের গৌরব অর্জন করেছিল অস্ট্রেলিয়ার সুন্দর শহর সিডনি। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে বড় এই আসরটি বিশ্বজুড়ে ‘সিডনি অলিম্পিক ২০০০’ নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। অলিম্পিক আয়োজক শহর সংক্রান্ত তথ্য বিসিএস আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির জন্য জেনে রাখা আবশ্যক।
১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক আইসিসি ট্রফির প্রাথমিক পর্বে বিশ্বের মোট ২২টি দেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেনিয়াকে ফাইনালে পরাজিত করে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের গৌরবময় ইতিহাসের এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য ভীষণ প্রিয়।
জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব সুইডেনের প্রখ্যাত কূটনীতিবিদ দ্যাগ হ্যামারশোল্ড কঙ্গো সংকটের সময় শান্তি মিশনের দায়িত্বে বিমানে ভ্রমণকালে এক মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি মৃত্যুর পর মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রধান ও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে বিসিএস-এ এই প্রশ্নটি খুবই জনপ্রিয়।
বিশ্বখ্যাত রহস্যময় হাসি এবং অনন্য শিল্পশৈলীর চিত্রকর্ম ‘মোনালিসা’-র মূল চিত্রকর হলেন ইতালিয়ান রেনেসাঁ যুগের সর্বকালের সেরা শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। শিল্পকলার ইতিহাসে তাঁর ‘দ্য লাস্ট সাপার’ চিত্রকর্মটিও সমানভাবে সমাদৃত। বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্প ও শিল্পীদের নাম বিসিএস পরীক্ষার জন্য নিয়মিত প্রস্তুতি হিসেবে পড়তে হয়।
আফগানিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী গোষ্ঠী হিসেবে তালেবান দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে এবং পরবর্তীতে তারা দেশটির রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের মুখে ২০০১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হলেও ২০২১ সালের আগস্টে তারা পুনরায় দেশটির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য ও এশীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বিসিএস পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক জ্ঞান।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বড় উৎস হলেও এর পাশাপাশি খনিজ তেল, কয়লা, এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিও ব্যবহার করা হয়। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বহুমুখী জ্বালানি উৎসের ওপর নির্ভর করতে হয়। বিসিএস পরীক্ষার শক্তি ও খনিজ সম্পদ সংক্রান্ত এমসিকিউগুলোর ক্ষেত্রে সামগ্রিক পরিস্থিতি মাথায় রেখে উত্তর করতে হয়।
বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী সাফল্যের নাম হলো ক্লোন ভেড়া ‘ডলি’। স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় অবস্থিত বিখ্যাত রোসলিন ইনস্টিটিউটের গবেষক ড. আয়ান উইলমুট ১৯৯৬ সালে পূর্ণাঙ্গ প্রাপ্তবয়স্ক কোষ (Adult Cell) ব্যবহার করে সফলভাবে এই ভেড়ার জন্ম দেন। বিসিএস পরীক্ষার জন্য এই বিজ্ঞানীর নাম এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
ক্লোন ভেড়া ‘ডলি’ সফলভাবে জন্ম নেওয়ার ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছিল যুক্তরাজ্য বা গ্রেট ব্রিটেনের অন্তর্গত স্কটল্যান্ডে। স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবরার রোসলিন ইনস্টিটিউটে ১৯৯৬ সালে ভ্রূণতত্ত্ববিদ ড. আয়ান উইলমুট এই অবিশ্বাস্য কাজটি সম্পন্ন করেন। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ইতিহাসের এমন প্রশ্নগুলো সাধারণত বিসিএস-এর সাধারণ জ্ঞান অংশে কমন পড়ে থাকে।
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত এবং পরীক্ষিত তথ্য অনুযায়ী কার্বনের একটি রূপভেদ হলো হীরা, যা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন বা শক্ততম প্রাকৃতিক পদার্থ হিসেবে স্বীকৃত। এর ত্রিমাত্রিক সুদৃঢ় স্ফটিক কাঠামোর কারণে একে সহজে অন্য কোনো সাধারণ পদার্থ দিয়ে কাটা বা দাগ কাটা যায় না। সাধারণ বিজ্ঞানের মৌলিক প্রশ্ন হিসেবে বিসিএস-এ এটি প্রায়ই আসে।
স্তন্যপায়ী প্রাণীদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা বাচ্চা প্রসব করে এবং মায়ের দুধপান করে বড় হয়। অন্যদিকে কুমির ডিম পাড়ে এবং এটি সরীসৃপ (Reptile) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, ফলে এটি স্তন্যপায়ী নয়। তিমি ও বাদুড় দেখতে ভিন্ন হলেও এরা কিন্তু নির্দিষ্ট biological বৈশিষ্ট্যের কারণে স্তন্যপায়ী গোত্রেরই অন্তর্ভুক্ত।
বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতিসহ অসংখ্য যুগান্তকারী যন্ত্র আবিষ্কারের মাধ্যমে বিদ্যুৎশক্তিকে মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী করে তোলেন। মনে রাখবেন, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বিদ্যুৎ আবিষ্কার বা এর প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা দিলেও একে গৃহস্থালি ও জনকল্যাণে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এডিসনের অবদান সর্বাগ্রে।
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে প্রায় ৮.৩২ মিনিট (বা ৫০০ সেকেন্ড) সময় লাগে। আলোর এই নির্দিষ্ট যাত্রাসময় হিসাব করা হয় পৃথিবীর গড় দূরত্ব এবং শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগের ওপর ভিত্তি করে। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে প্রায়ই মহাজাগতিক দূরত্ব ও আলোর গতি সম্পর্কিত এমন প্রশ্ন দেখা যায়, তাই মানগুলো ভালোভাবে মনে রাখুন।
বিংশ শতাব্দীর আকাশমণ্ডল আলোকিত করা সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু হলো ‘হেলবপ’ (Hale-Bopp)। ১৯৯৫ সালে মার্কিন জ্যোতির্বিদ এলান হেল ও টমাস বপ যৌথভাবে এটি আবিষ্কার করেন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত ধূমকেতু ও তাদের আবিষ্কারকদের নাম জিজ্ঞেস করা হয়, যা নোট করে রাখা জরুরি।
‘গ্যালিলিও’ হলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা কর্তৃক বৃহস্পতি গ্রহের রহস্য উদ্ঘাটনে প্রেরित একটি ঐতিহাসিক কৃত্রিম উপগ্রহ। ইতালীয় জ্যোতির্ববিজ্ঞানী গ্যালিলিও Galilei-এর নামানুসারে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সহযোগিতায় এটি তৈরি করা হয়েছিল। মঙ্গল গ্রহের ক্ষেত্রে ‘ভাইকিং’ বা ‘কিউরিওসিটি’ রোভার ব্যবহৃত হয়েছে, যা গুলিয়ে ফেলবেন না।
পৃথিবীর যে কাল্পনিক বৃত্ত বা সীমারেখা আলোকিত দিন ও অন্ধকার রাতকে পৃথক করে, তাকে ‘ছায়াবৃত্ত’ (Circle of Illumination) বলা হয়। পরীক্ষার সময় ‘গোধূলি’ বা ‘ঊষা’র সংজ্ঞার সাথে এটি যেন গুলিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপ হলো ৭৬ সেন্টিমিটার পারদ স্তম্ভের সমান, যা প্রায় ১০ নিউটন প্রতি বর্গসেন্টিমিটার চাপের সমান। উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ কমতে থাকে, তাই সমুদ্র সমতলকেই আদর্শ মান হিসেবে ধরা হয়।
আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘জিব্রাল্টার প্রণালী’, যা ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোকে পৃথক করেছে। বিসিএসে বিশ্বমানচিত্রের বিখ্যাত প্রণালী ও জলপথ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই মানচিত্র দেখে এগুলো আয়ত্ত করা ভালো।
রাতের আকাশে দৃশ্যমান সমস্ত নক্ষত্রের মধ্যে ‘লুব্ধক’ (Sirius) হলো সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র। অন্যদিকে ‘ধ্রুবতারা’ উত্তর গোলার্ধের আকাশে স্থির থাকে এবং ‘প্রক্সিমা সেন্টরাই’ হলো সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র—এই তিনটি তথ্যের পার্থক্য বিসিএসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী যখন একই সরলরেখায় অবস্থান করে (বিশেষ করে অমাবস্যা ও পূর্ণিমায়), তখন জোয়ারের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি থাকে এবং একে তেজকটাল বলা হয়। অমাবস্যার সময় সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর একই দিকে থেকে একত্রে আকর্ষণ করায় এই জোয়ারের তীব্রতা সর্বোচ্চ হয়।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন